পটুয়াখালী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, পটুয়াখালীর চারটি আসনের তিনটিতে বিএনপি এবং একটিতে জামায়েতে ইসলামী জয়ী হয়েছে। একইসঙ্গে চারটি আসনেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
পটুয়াখালী-১ (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরী ১,৫২,০৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. ফিরোজ আলম পেয়েছেন ৫৮,১৬১ ভোট। এ আসনে গণভোটে হ্যাঁ পেয়েছে ১,৫৩,০৯২ ভোট, আর না পেয়েছে ৮৯,২৬৮ ভোট।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ১,০০,৭৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মো. সহিদুল আলম তালুকদার পেয়েছেন ৭২,৬৭৬ ভোট। আর গণভোটে হ্যাঁ পেয়েছে ১,১৩,১০০ ভোট এবং না পেয়েছে ৬১,০০৫ ভোট।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি সমর্থিত ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি, ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী নুরুল হক নূর ৯৭,৩২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাসান মামুন পেয়েছেন ৮১,৩৬১ ভোট। অন্যদিকে গণভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১,৩১,১১৪, আর না ভোট পড়েছে ৭৬,৫৫৪।
পটুয়াখালী-৪( কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন ১,১৪,০১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ৭০,১২৭ ভোট। গণভোটে হ্যাঁ পেয়েছে ১,২৫,৪৫৮ ভোট, এবং না পেয়েছে ৬১,৮৮৯ ভোট।
পটুয়াখালী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, পটুয়াখালীর চারটি আসনেই ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করেছেন।