Monday 02 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

উত্তরাঞ্চলের ৪টি আসনের ব্যালট-ফলাফল হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২ মার্চ ২০২৬ ২১:৩৯

হাইকোর্ট। ফাইল ছবি

রংপুর: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের চারটি আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (২ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে যে চার আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে রাখতে বলা হয়েছে সেগুলো হলো- রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া), রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ), কুড়িগ্রাম-২ ও রাজশাহী-১।

এই চার আসনের বিএনপি প্রার্থীরা নির্বাচনি অনিয়ম, জাল ভোট, ভোট বাতিল, গণনায় কারচুপি ও প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। আদালত আবেদনগুলো শুনানি শেষে ব্যালট ও রেজাল্ট শিট সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে পরবর্তী তদন্ত ও প্রয়োজনে পুনর্গণনার সুযোগ থাকে।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগকারী চার বিএনপি প্রার্থী হলেন- রংপুর-৪: এমদাদুল হক ভরসা (ধানের শীষ), রংপুর-৬: সাইফুল ইসলাম (ধানের শীষ), কুড়িগ্রাম-২: সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ (ধানের শীষ), রাজশাহী-১: মো. শরীফ উদ্দিন (ধানের শীষ)।

ফলাফল ঘোষণার পর থেকে রংপুর-৪ ও রংপুর-৬ আসনে বিএনপি নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করেন। তাদের দাবি, প্রশাসনের সহায়তায় ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে ফলাফল পালটানো হয়েছে।

এমদাদুল হক ভরসা বলেন, ‘প্রায় ৮ হাজার ৫০০ ভোট বাতিল করা হয়েছে। পুনর্গণনা না হলে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গণনায় চরম অনিয়ম হয়েছে। আমার পক্ষের হাজার হাজার ভোট বাতিল দেখানো হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল আহসান বলেন, ‘আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে রাখা হচ্ছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের।’

হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে এখনো আরও কয়েকটি আসনে কারচুপির অভিযোগে মামলা চলমান রয়েছে। আদালতের নির্দেশে ব্যালট ও রেজাল্ট শিট সংরক্ষণ করা হলে পরবর্তী তদন্ত ও পুনর্গণনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর