পটুয়াখালী: জেলার কলাপাড়ায় কিশোরী লামিয়াকে ধর্ষণের পর গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের মামলার চার্জশিট থেকে বাদ দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ এনেছে কিশোরীর মা হালিমা বেগম।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ টায় কলাপাড়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরাম কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।
তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি রোগী দেখতে ঘরের বাইরে বের হন। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে বাসায় ফেরার পথে তার বাড়ির সড়ক থেকে তাইফুর ইসলাম সোহেল, সুজন ও হাসানকে দৌঁড়ে পালিয়ে যেতে দেখতে পান। দ্রুত তিনি বাড়ি ফিরে তার মেয়ে লামিয়াকে গাছের সঙ্গে গলার ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ওই রাতেই নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, মামলার সুরতহাল রিপোর্টে দেখা গেছে, লামিয়ার বুক ও গলাসহ বিভিন্ন স্থানে কামড় ও আঘাতের চিহ্ন ও গোপন স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। এ ঘটনায় গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর ময়নাতদন্ত রিপোর্টে তাকে ধর্ষণের পরে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তার অভিযোগ, এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে জয়নাল মৃধাকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করলেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তিন আসামিকে বাদ দেন। ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে তিন আসামিকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল ইসলাম বলেন, তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন।