Saturday 28 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সিলেটে জ্বালানি তেলের ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন

ডিস্ট্রিক্ট করসপন্ডেন্ট
২৮ মার্চ ২০২৬ ১৯:৩৫

পদ্মা অয়েল পিএলসির ডিপোতে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) এক প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

সিলেট: সিলেটে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও ডিপোর নিরাপত্তায় বিজিবির দুই প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একইসঙ্গে সীমান্তে চোরাচালান ও মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সিলেট নগরে অবস্থিত যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডে জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (১৯ বিজিবি) এক প্লাটুন এবং পদ্মা অয়েল পিএলসির ডিপোতে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) এক প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করে তিনি জানান, গত ২৫ মার্চ থেকে সার্বিক নিরাপত্তার লক্ষ্যে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি সদস্যরা ডিপোর অভ্যন্তরীণ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও জানান, বর্তমান প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ডিপো হতে চাহিদার অতিরিক্ত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে কিনা তাও নিবিড়ভাবে তদারকি করা হচ্ছে। পাশাপাশি, অবৈধ মজুদের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরি প্রতিরোধ এবং সীমান্ত পথে তেল পাচার রোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সিলেট জেলায় দুটি ও পার্শ্ববর্তী মৌলভীবাজার জেলায় ৩টিসহ দেশের মোট ১৯টি জ্বালানি ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। প্রতিটি স্থানে একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে সদস্যরা টহল ও সার্বিক তদারকি করছেন। পাশাপাশি যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

১৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুবায়ের আনোয়ার বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। সিলেটের পদ্মা ও মেঘনা ডিপোতে দুই প্লাটুন বিজিবি সদস্য কয়েক দিন ধরেই দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া ডিপোর নিরাপত্তার পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার রোধেও জোর তৎপরতা চলছে। সীমান্ত এলাকায় টহল বাড়ানো হয়েছে এবং ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশনে পণ্যবাহী যানবাহনে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট নিয়ে গুজব ঠেকাতে এবং পাম্প পর্যায়ে সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনও ব্যবস্থা নিয়েছে।

প্রতিটি পেট্রোল পাম্পে তদারকির জন্য ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ মজুত বা কারসাজির তথ্য দিলে পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে সিলেটে এখনো জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক আছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

তারা জানান, ঈদের ছুটির পর থেকে সিলেটে এখন পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ অনেকটা স্বাভাবিক আছে। ক্রেতারাও চাহিদা মাফিক পেট্রোল-অকটেন নিতে পারছেন। তবে ডিজেলের কিছু সঙ্কট আছে।

সারাবাংলা/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর