Saturday 09 May 2026
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

টাঙ্গাইলে ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদীর পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২ মে ২০২৬ ১৫:২১

নদীর পুনর্খনন কাজের উদ্বোধনে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

টাঙ্গাইল: জেলার আওতাধীন ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদীর পুনর্খনন এবং টাঙ্গাইল পৌর এলাকার নদীতীর প্রতিরক্ষা কার্যক্রম শীর্ষক প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (২ মে) বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করোটিয়া ইউনিয়নের ক্ষুদিরামপুর এলাকায় ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদীর পুনর্খনন এবং টাঙ্গাইল পৌর এলাকার নদীতীর প্রতিরক্ষা কার্যক্রম শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘বিএনপির ৩১ দফায় নদী ও খাল খননের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমান বিএনপি সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে। যে কোনো কিছুর বিনিময়ে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ‘টাঙ্গাইলে ৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫২ কিলোমিটার নদী পুনর্খননের কাজ শুরু হলো। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার এরইমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এই নদী পুনর্খননের কাজ টাঙ্গাইলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ ব্যবস্থা সচল রাখা ও শুকনো মৌসুমে পানির সংকট দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কর্মসূচির মাধ্যমে তৃণমূলের কৃষকদের আরও স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদীর দু’পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যত প্রভাবশালী হোক, নদীর দুই পাড়ে দখল হওয়া জায়গা উদ্ধার করা হবে।’

এ ছাড়া, নদী ও খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন সফল করতে সকলের সহযোগিতা কামনাও করেন তিনি।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবেদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মিয়া ও জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনসহ আরও অনেকেই।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, ‘ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদীর ৫২ কিলোমিটার নদীর পুনর্খখনন করা হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি, ভাঙন রোধ এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এর পাশাপাশি, স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’