ঢাকা: দেশে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হতে যাচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। আর এই পবিত্র রমজান মাসকে ঘিরে দেশের বাজারে অন্যান্য বছরের তুলনায় এখনও সৃষ্টি হয়নি নিত্যপণ্য, মাছ, মাংস ও ডিমে বাড়তি দামের অস্থিরতা। তবে সাপ্তাহিক বাজারের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির প্রতি কেজিতে ২০ টাকা বাড়লেও গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা এবং মানভেদে ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন মিলছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা ও হাঁসের ডিমের ডজন ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মিরপুরের বাজারগুলো ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
আজ বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭০ টাকা। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। সেই সঙ্গে কিছুটা বেড়েছে সোনালি মুরগির দাম। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ৩০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা। তবে ডিমের বাজারে রয়েছে ক্রেতাদের স্বস্তি।
সবজির বাজারে দেখা যায়, মুলা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শিম ৪০ থেকে ৭০ টাকা, লাউ ৬০ টাকা, শালগম ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পাতা কপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা। তবে করলা এখনও বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকায়।
এদিকে মাছের দামে মিলছে না ক্রেতাদের স্বস্তি। বছর জুড়েই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ। তারপরও আজ গরু ও মুরগির তুলনায় মাছের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। প্রতি কেজি পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৬০ টাকা, বাইন ৬০০ টাকা, শিং ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং টাকি ৩০০ টাকা এবং আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে ব্রয়লার মুরগির সংকট রয়েছে। যে কারণে দাম বেড়েছে। দাম বেশি হওয়ার কারণে অনেক ক্রেতাই ফিরে যাচ্ছেন। আর শীতকালীন সবজির পর্যাপ্ত যোগান থাকায় এখনও মোটামুটি কম দামেই বিক্রি হচ্ছে।