Thursday 05 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

দুই প্রশাসকের তথ্যে ১২৩৫ কোটি টাকার গড়মিল, কার তথ্য সঠিক?

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৫ মার্চ ২০২৬ ২০:১০ | আপডেট: ৫ মার্চ ২০২৬ ২০:৪৭

সদ্য সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ ও নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই বেহাল দশা এবং ফান্ডে মাত্র ২৫ কোটি টাকা আছে বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। অন্যদিকে, ফান্ডে গত ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ কর্মদিবসের দিন ডিএনসিসির ২৬টি অ্যাকাউন্টে মোট ১২৬০ কোটি ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৩১১ টাকা ৬০ পয়সা রেখে এসেছেন বলে জানিয়েছেন সদ্য সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

ডিএনসিসির বর্তমান প্রশাসক এবং সদ্য সাবেক প্রশাসকের তথ্য অনুযায়ী সংস্থাটির তহবিলে ১২৩৫ কোটি ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৩১১ টাকা ৬০ পয়সার গড়মিল উঠে এসেছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে আসলে কার তথ্য সঠিক?

এর আগে, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে সচিবালয় থেকে বের হওয়ার সময় নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, করপোরেশনে এখন কোনো টাকা নেই, মাত্র ২৫ কোটি টাকা আছে। আয়-ব্যয় এবং রাজস্ব থেকে রেভিনিউ সেকশনে আমি কথা বলে জানতে পেরেছি প্রতি মাসে স্যালারি আসে ১৩ কোটি টাকা। ফলে থাকবে কেবল ১২ কোটি। এখন বিচার বিশ্লেষণ আপনারাই করবেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কীভাবে করব?

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, ডিএনসিসির ফান্ড নিয়ে প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খানের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সদ্য সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। এমনকি বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তুলে ধরেছেন ডিএনসিসির ফান্ডের পরিমাণের বিশাল পার্থকের তথ্য।

মোহাম্মদ এজাজ বলেন, আমি সিটি করপোরেশনের প্রসাশক হিসেবে এক বছর মেয়াদের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম। আমার এক বছরের মেয়াদের শেষ দিনে (১০ ফেব্রুয়ারি) দায়িত্ব বুঝিয়ে দেই। সেদিন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৬টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ১২৬০ কোটি ১৫ লাখ ৫১ হাজার তিনশত ১১ টাকা ৬০ পয়সা তহবিলে জমা রেখে একটি সমৃদ্ধ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন রেখে এসেছিলাম। আশাকরি সুন্দর ঢাকা গড়তে বর্তমান টিম আরও ভালো করবে। শুভকামনা।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর