Tuesday 10 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বিএনপি যা বলে, তা করে: প্রশাসক শফিকুল ইসলাম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১০ মার্চ ২০২৬ ১৪:৫০ | আপডেট: ১০ মার্চ ২০২৬ ১৪:৫৪

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান

ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনি ইশতেহারে বলেছিল ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবে, সেটা করে দেখিয়ে দিয়েছে। বিএনপি যা বলে, তা করে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর ১টায় মিরপুর ১৩ নম্বরের ৪ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে ফ্যামিলি কার্ড ১০ জনের হাতে এটি তুলে দেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। রিনা আক্তার, শারমিন আক্তার, জান্নাতুল ফেরদৌস, নাসরিন আখতার, শাকিলা বেগম, মাহফুজা বেগম, মোসাম্মদ পারভীন এবং নিপা আখতারসহ অন্যান্য উপকারভোগী। তবে অনুষ্ঠান শুরুর আগেই অনেকেরই মোবাইল নম্বরে পৌঁছে যায় ফ্যামিলি কার্ডের ২৫০০ টাকা।

বিজ্ঞাপন

ডিএনসিসি এলাকায় মিরপুরের বাগানবাড়ি বস্তির ১১৭টি পরিবার এবং ওলিমিয়ার টেক বস্তির ৩৯২টি পরিবারসহ মোট ৫০৯টি পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে ফ্যামেলি কার্ড পাচ্ছে।

ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে রিনা আক্তার বলেন, আমি অলিমিয়ার টেকে থাকি। এত দ্রুত ফ্যামিলি কার্ড পাব সেটা ভাবিনি। ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। এই টাকা দিয়ে আমি আমার মেয়েকে পড়াশোনা করাব, এই টাকা সঞ্চয় করে আমি ব্যবসা করব। মানুষের বাসা বাড়িতে কাজ করতাম। এখন আর সেটা করতে হবে না। ফ্যামিলি কার্ডের জন্য প্রশাসক ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ।

শারমিন আক্তার বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পেয়ে খুবই ভালো লাগছে। এই টাকা সংসার চালাতে সাহায্য করবে। ফ্যামিলি কার্ডের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সরকারিভাবে ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ডে টাকা ঢুকে গেছে। যারা পায়নি পর্যায়ক্রমে তারাও পেয়ে যাবে। আমরা কথা দিয়েছিলাম বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জনগণের সব সমস্যা সমাধান করব। আর ফ্যামিলি কার্ড হলো সিটির একটি অংশ।

স্বচ্ছতা যাচাই করে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে কিনা- প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা কোনো রাজনৈতিক ভাবে দেওয়া হচ্ছে না। সমাজকল্যাণ অধিদফতরের লোকজন যাচাই করে সবার নাম যুক্ত করেছে। আমরা কেউ এটা করিনি। কাজেই শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশ গড়ার জন্য শুধু সরকারের নয়, নাগরিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে সম্মিলিতভাবে একটি সমৃদ্ধ আগামী বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ডিএনসিসির অঞ্চল-৪ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান সমাজকল্যাণ ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসানসহ আরও অনেকে।

সারাবাংলা/এমএইচ/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর