ঢাবি: পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘রমাদান ক্যালিগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ১২ থেকে ১৩ মার্চ রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আর্ট গ্যালারিতে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয় এ আয়োজন।
আয়োজনে শিল্পী, শিক্ষার্থী এবং শিল্পপ্রেমীরা একত্রিত হয়ে ক্যালিগ্রাফি শিল্পের সৌন্দর্য উদযাপন করেন।
অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে হেল্প দ্যা ফিউচার এবং সহযোগিতায় ছিল রোজ অ্যাকাডেমি। ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল এসপায়ারিং মুসলিম ও মিলমিশ।
প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের তরুণ শিল্পীদের পাঠানো বৈচিত্র্যময় ক্যালিগ্রাফি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়। দেশব্যাপী আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী অংশগ্রহণকারীরা আরবি, বাংলা ও ইংরেজি ক্যালিগ্রাফিতে তাদের মৌলিক শিল্পকর্ম জমা দেন। সৃজনশীলতা, নকশা ও বিন্যাস, লেখার স্বচ্ছতা এবং উপস্থাপনার ভিত্তিতে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত শিল্পকর্মগুলো প্রদর্শনীতে স্থান পায়।
প্রদর্শনীর সমাপনী দিনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ। এ সময় তিনি প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং ক্যালিগ্রাফির প্রশংসা করেন।
প্রদর্শনীতে আগত দর্শনার্থীরা উদীয়মান ক্যালিগ্রাফারদের কাজ ঘুরে দেখার সুযোগ পান এবং ক্যালিগ্রাফি শিল্পের নান্দনিকতা ও আধ্যাত্মিক গভীরতা অনুভব করেন। ইসলামি সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত এই শিল্পধারার মাধ্যমে শিল্প, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার এক মনোরম সমন্বয় সৃষ্টি হয়, যা রমাদানের চেতনাকে প্রতিফলিত করে।
দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষার্থী, শিল্পপ্রেমী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রদর্শনী পরিদর্শন করে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের সৃজনশীলতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন।
আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল তরুণ ক্যালিগ্রাফারদের জন্য একটি অর্থবহ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যেখানে তারা তাদের প্রতিভা তুলে ধরতে পারবে এবং ক্যালিগ্রাফিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে তুলে ধরা যাবে।