ঢাকা: শারদীয় দুর্গোৎসব ও সরকারি ছুটির টানা পাঁচ দিনের টানা অবকাশে রাজধানী ঢাকার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে এখন বইছে উৎসবের আমেজ। দুর্গা পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা ষষ্ঠী থেকে শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলেও, সাপ্তাহিক ছুটিসহ অতিরিক্ত ছুটি মিলিয়ে টানা ছুটি পাওয়ায় রাজধানীজুড়ে তৈরি হয়েছে আনন্দের আবাহন। অনেক নগরবাসী ঢাকার বাইরে ছুটি কাটাতে গেলেও, যারা রাজধানীতে রয়ে গেছেন তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটে আসছেন বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে। যার মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা।

চিড়িয়াখানায় বানরের খাঁচার সামনে দর্শনার্থীদের ভিড়। ছবি: সারাবাংলা।
আজ চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, সকল বয়সের মানুষের উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বাবার কাঁধে চেপে কিংবা মায়ের হাত ধরে ছোট ছোট পায়ে হেঁটে বেড়াচ্ছে দর্শনার্থী শিশুরা। চিড়িয়াখানার বাঘ, সিংহ, হরিণ, জিরাফ, বাঁদর ও নানা প্রজাতির পশুপাখি দেখে আনন্দে মেতে উঠেছে তারা। কেবল বন্যপ্রাণী দেখাই নয়, চিড়িয়াখানার ভেতরে থাকা শিশু পার্কে চড়ে এবং আনন্দময় খেলাধুলায় মেতে উঠে দারুণ সময় পার করছে ছোটরা।

ছবি: সারাবাংলা।
চিড়িয়াখানায় আসা সাত বছরের শিশু দীপিকা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানায়, এ কয়েক দিন খুব আনন্দ করে দুর্গা পূজা পালন করেছি। এখনো স্কুল অনেক দিন বন্ধ, তাই চিড়িয়াখানায় ঘুরতে এসেছি। এখানে এসে জিরাফ আর বানর দেখে খুব ভালো লাগছে, এখন হাতি দেখতে যাব। আরেক খুদে দর্শনার্থী অয়ন আহমেদ সানন্দে বলে, টিভিতে দেখা বাঘ আর জিরাফ আজ সামনাসামনি দেখতে পেয়ে আমার খুব আনন্দ হচ্ছে!
শিশুদের এই আনন্দ-উচ্ছ্বাসে দারুণ খুশি অভিভাবকরাও। মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে পরিবার নিয়ে আসা ইমরান মাহমুদ বলেন, ব্যস্ত এই নগরীতে ছোটোদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার সুযোগ খুব একটা পাওয়া যায় না। যেহেতু দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে একটা লম্বা ছুটি পাওয়া গেল, আর বাচ্চারাও বায়না ধরেছিল ঘুরতে বের হওয়ার, তাই এই সুযোগে সবাই মিলে একসঙ্গে ঘুরতে আসলাম।

সুন্দরবনের বাঘ দেখতে চিড়িয়াখানায় এসেছে শিশুরা। ছবি: সারাবাংলা
অন্য এক অভিভাবক প্রিয়াঙ্কা দাস বলেন, পূজার দিনগুলোতে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরাঘুরি হয়েছে, আর আজ ছুটির দিনে বাচ্চাদের চিড়িয়াখানায় নিয়ে এলাম। ইট-কাঠের শহরের যান্ত্রিকতা থেকে বের হয়ে খোলা হাওয়ায় এসে বাচ্চারা যেমন আনন্দ পাচ্ছে, আমাদেরও বেশ ভালো লাগছে।
আজ চিড়িয়াখানা প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, সব বয়সের মানুষের উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বাবার কাঁধে চেপে কিংবা মায়ের হাত ধরে ছোট ছোট পায়ে হেঁটে বেড়াচ্ছে দর্শনার্থী শিশুরা। চিড়িয়াখানার বন্যপ্রাণীরাও যেন বুঝতে পেরেছে শিশুদের এই বাঁধভাঙা আনন্দ! খাঁচায় থাকা বাঘ মামাও থাবা উঁচিয়ে ও পায়চারি করে যেন বাচ্চাদের সাথে আনন্দে তাল মেলাচ্ছে। ওদিকে দীর্ঘ গলা উঁচিয়ে কুশল বিনিময় করে শিশুদের স্বাগত জানাচ্ছে জিরাফ। আর খাঁচার ভেতরের বানরগুলোর দুষ্টুমি, বাদরামো আর তৃপ্তি করে কলা খাওয়ার দৃশ্য দেখে হেসে লুটোপুটি খাচ্ছে খুদে দর্শনার্থীরা।

ছবি: সারাবাংলা।
কেবল পশুপাখি দেখাই নয়, চিড়িয়াখানার ভেতরের শিশু পার্কে চড়েও আনন্দ যেন আর ধরছে না শিশুদের। থিম রাইড, স্লিপার, দোলনা, চরকি, কাঠের ঘোড়া আর রেলে চেপে আনন্দে মেতে উঠেছে ছোটরা।
চিড়িয়াখানায় আসা সাত বছরের শিশু দীপিকা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানায়, এ কয়েক দিন খুব আনন্দ করে দুর্গা পূজা পালন করেছি। এখনো স্কুল অনেক দিন বন্ধ, তাই চিড়িয়াখানায় ঘুরতে এসেছি। এখানে এসে জিরাফ আর বানর দেখে খুব ভালো লাগছে, এখন হাতি দেখতে যাব। আরেক খুদে দর্শনার্থী অয়ন আহমেদ সানন্দে বলে, টিভিতে দেখা বাঘ আর জিরাফ আজ সামনাসামনি দেখতে পেয়ে আমার খুব আনন্দ হচ্ছে!

চিড়িয়াখার ভেতরে পার্কে খেলছে শিশুরা। ছবি: সারাবাংলা।
শিশুদের এই আনন্দ-উচ্ছ্বাসে দারুণ খুশি অভিভাবকরাও। মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে পরিবার নিয়ে আসা ইমরান মাহমুদ বলেন, ব্যস্ত এই নগরীতে ছোটোদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার সুযোগ খুব একটা পাওয়া যায় না। যেহেতু দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে একটা লম্বা ছুটি পাওয়া গেল, আর বাচ্চারাও বায়না ধরেছিল ঘুরতে বের হওয়ার, তাই এই সুযোগে সবাই মিলে একসঙ্গে ঘুরতে আসলাম।
অন্য এক অভিভাবক প্রিয়াঙ্কা দাস বলেন, পূজার দিনগুলোতে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরাঘুরি হয়েছে, আর আজ ছুটির দিনে বাচ্চাদের চিড়িয়াখানায় নিয়ে এলাম। ইট-কাঠের শহরের যান্ত্রিকতা থেকে বের হয়ে খোলা হাওয়ায় এসে বাচ্চারা যেমন আনন্দ পাচ্ছে, আমাদেরও বেশ ভালো লাগছে।

ছবি: সারাবাংলা।
চিড়িয়াখানার পশু-পাখিদের খাঁচার সামনে দর্শনার্থীদের কোলাহল আর শিশুদের হাসিমুখ পুরো প্রাঙ্গণকে দারুণভাবে মুখরিত করে তুলেছে। দুর্গাপূজা ও টানা ছুটির এই আবহ বিনোদন প্রেমীদের জন্য এনে দিয়েছে এক পশলা প্রশান্তি ও আনন্দের ছোঁয়া।
চিড়িয়াখানার পশু-পাখিদের খাঁচার সামনে দর্শনার্থীদের কোলাহল আর শিশুদের হাসিমুখ পুরো প্রাঙ্গণকে মুখরিত করে তুলেছে। দুর্গাপূজা ও টানা ছুটির আবহ বিনোদন প্রেমীদের জন্য এনে দিয়েছে এক পশলা প্রশান্তি ও আনন্দের ছোঁয়া।