চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে নিখোঁজের দুইদিন পর আরেফিন আকতার (১১) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ। ধর্ষণের পর শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে হাটহাজারী উপজেলার চিকনদন্ডী ইউনিয়নের আমান বাজারের ইসহাক কলোনী এলাকার একটি তুলার ফ্যাক্টরি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা মরদেহটি ঐ এলাকার ভাড়াটিয়া মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম ও আমেনা বেগমের নিখোঁজ মেয়ের। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিল।
জানা যায়, গত ২৬ মার্চ দুপুরে আমান বাজার ভাড়া বাসা থেকে আরেফিন আকতার নামে এক শিশু নিখোঁজ হয়। এরপর সবখানে খোঁজ করে না পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন।
এদিকে শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে হাটহাজারী উপজেলার আমান বাজার বনফুলের পেছনে তুলা ফ্যাক্টরির আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে ওই ফ্যাক্টরিতে গিয়ে নিখোঁজ আরেফীনের মুখ থেতলানো মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পরে হাটহাজারী মডেল থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
নিহত শিশুর পরিবারের দাবি, আরেফিন আকতারকে একই কলোনির ভাড়াটিয়া ফয়সাল ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ লুকিয়ে রেখেছিল। তারা তাদের মেয়ের হত্যাকারীর ফাঁসি দাবি করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ফয়সাল বছরখানেক আগে বরিশাল থেকে এসে আমান বাজার বনফুলের পেছনে ওই কলোনিতে ভাড়াটিয়া হিসাবে থাকা শুরু করেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত হাটহাজারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান সারাবাংলাকে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত তথ্য পরে জানাবেন বলেও জানান তিনি।