কক্সবাজার: কক্সবাজারে পর্নোগ্রাফি আইনে করা এক মামলায় জামায়াতে ইসলামীর এক স্থানীয় নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
অভিযুক্ত সাইদুল আরেফিন মিরাজ (২৮) উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুরুল আলমের ছেলে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার অর্থ সম্পাদক।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে একই এলাকার এক প্রবাসীর স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (উখিয়া) আদালতের বিচারক এস. এম. গিয়াস উদ্দিন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪০৬, ৪২০ ও ৪৯৩ ধারা এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২-এর ৮(১) ও ৮(২) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নারী একজন প্রবাসীর স্ত্রী। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এই সুযোগে মিরাজ তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং প্রতারণামূলকভাবে বিয়ে করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাদের যৌনসম্পর্কের ভিডিও মোবাইলফোনে ধারণ করে অভিযুক্ত তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী বলেন, ‘১৮ দিন ধরে আমাকে মিথ্যা প্রলোভনে কক্সবাজার শহরের একটি ভাড়া বাসায় আটকে রাখা হয়েছিল। আমার সঙ্গে প্রতারণা করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাও হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমি এ ঘটনায় ন্যায়বিচার চাই।’
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন দে জানান, প্রাথমিক তদন্তে ভুক্তভোগীর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। আরও যাচাই-বাছাই শেষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।