রাবি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রেক্ষিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সব প্রকার জনবল নিয়োগ বন্ধ রাখার দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (০৭ জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অফিসে সহায়ক ও সাধারণ কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ৫ জন কর্মচারী।
স্মারকলিপিতে স্বাক্ষরকারী কর্মচারীগণ হলেন, শহীদ হবিবুর রহমান হলের নিম্নমান সহকারী ও বাংলাদেশ আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী কর্মচারী ফেডারেশনের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. মাসুদুর রহমান, ক্রপ সায়েন্স বিভাগের উচ্চমান সহকারী মো. সইজুদ্দীন, আইন বিভাগের নিম্নমান সহকারী মো. রফিকুল ইসলাম এবং স্টুয়ার্ড শাখার নিম্নমান সহকারী মো. পিয়ারুল ইসলাম, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রহরী মো. হানিফ শেখ।
স্মারকলিপিতে তারা লিখেছেন, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করেছেন। বাংলাদেশ সরকারের আইন অনুযায়ী এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে শুধুই নিয়ম রক্ষার তাগিদে, অর্থাৎ সরকারের কাজ ‘রুটিন ওয়ার্ক’, বাকি সবই ন্যস্ত হয়েছেন নির্বাচন কমিশনে। সরকার নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত যেমন নিতে পারবে না, তেমনই নির্বাচন কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করবে এমন কোনো কাজ করতে পারবে না। জনবল নিয়োগ একটি নীতিনির্ধারণী বিষয় এবং সরকার এই কাজ থেকেও বিরত রয়েছে। নির্বাচনসংক্রান্ত এই আইন মেনে চলতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠান বাধ্যকর বটে।
তারা আরও দাবি জানান, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সন্ত্রাসী কর্মী বাহিনীকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারী হিসেবে গণহারে দৈনিক মজুরি ও এ্যাড-হক ভিত্তিতে নিয়োগদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ও অন্যতম শীর্ষ কর্তাদের একটি অংশ এবং বাইরের উক্তরূপ রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এটি দেশবিরোধী একটা ভয়ংকর পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র।