Saturday 31 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

জামায়াত নেতাকে খুনের প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ

ইবি করেসপন্ডেন্ট
৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৩৩ | আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৪৭

ছবি: সংগৃহীত

ইবি: শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জামায়াত নেতা খুন, দেশব্যাপী হামলা-নৈরাজ্য ও নারী হেনস্তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।

পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এসময় সংগঠনটির সভাপতি ইউসুব আলী, সেক্রেটারী রাশেদুল ইসলাম রাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া ও প্রচার সম্পাদক মাহামুদুল হাসানসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

মিছিলে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা- ‘নারায়ে তাকবির আল্লাহ আকবর’, ‘ইসলামী ছাত্রশিবির, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’, ‘আমার ভাই শহিদ কেন? ইন্টেরিম জবাব দে’, ‘শেরপুরে হামলা কেন? ইন্টেরিম জবাব চাই’, ‘বিএনপির অনেক গুন, হারার ভয়ে মানুষ খুন’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘বিএনপির কালো হাত ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘চাঁদাবাজদের কালো হাত, ভেঙে গুড়িয়ে দাও’, ‘ধরি ধরি ধরি না, ধরলে কিন্তু ছাড়ি না’, ‘প্লান প্লান কোন প্লান, মানুষ মাস্টার প্লান’, ‘লীগ গেছে যেই পথে, দল যাবে সেই পথে’ ও ‘ভিক্ষা লাগলে ভিক্ষা নে, চাঁদাবাজি ছেড়ে দে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, আমরা জুলাই আন্দোলনে রক্ত দিয়েছি ইনসাফ কায়েমের জন্য, বৈষম্য দূর করার জন্য। কিন্তু একটি দলের নেতা-কর্মীরা মনে করেছে যে তারা ক্ষমতায় এসে গিয়েছে। তারা লাগামহীনভাবে চাঁদাবাজি, খুন ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন প্রকার অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। তারা শেরপুরের জামায়াত নেতাকে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।

তিনি আরও বলেন, জুলাইয়ের পর জনপ্রিয়তা হারিয়ে তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাই তো তাদের মধ্য থেকে কিছু কুলাঙ্গার কাপুরুষ মা-বোনদের গায়ে পর্যন্ত হাত তুলেছে। এ যুগের ছাত্রসমাজ সচেতন, তারা আপনাদের আর নব্বইয়ের রাজনীতিতে ফিরে যেতে দেবে না। আসুন আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে বুদ্ধিবৃত্তিক রাজনীতি চর্চা করি।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে উপলক্ষ করে কিছু মানুষ আমাদেরকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তারা বলছে, কেউ যদি নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রে যাও তাহলে হাত পা ভেঙে দেব। আমরা তাদেরকে বলে দিতে চাই, ছাত্রশিবির দীর্ঘ দিন ধরে বাঘের সাথে লড়াই করে আসছে। সুতরাং কোন বানর যদি আমাদেরকে ভয় দেখাতে আসে, লেজ ধরে দুইটা ঘুরানি দিয়ে ছেড়ে দেব, মামুর বাড়ি গিয়ে পড়তে বাধ্য হবে। আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না। আমাদের ধৈর্যের বাঁধ যদি ভেঙে যায়, পালানোর জায়গা খুঁজে পাবেন না।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর