Wednesday 14 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সীমিত পরিমাণে দ্রুত পেঁয়াজ আমদানির সুপারিশ বিটিটিসি’র

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
৮ নভেম্বর ২০২৫ ১৪:২৬
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম অস্বাভাবিক বাড়ায় পেঁয়াজ আমদানির সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)। সম্প্রতি স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধিতে সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা পূর্বক পেঁয়াজ আমদানির সুপারিশ করে গত বৃহস্পতিবার বাণিজ্যসচিব ও কৃষিসচিব-কে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, প্রতি বছর অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে পেঁয়াজের দাম বাড়ে। সে বিবেচনায় এক কেজি পেঁয়াজের দাম সর্বোচ্চ ১১০-১২০ টাকা ওঠায় সীমিত পরিমাণে ও দ্রুত আমদানির সুপারিশ করেছে কমিশন।

প্রসঙ্গত: শুক্রবার (০৭ নভেম্বর) রাজধানীর বাজার ভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ট্যারিফ কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছে, পেঁয়াজের উচ্চ দামের সুবিধা কৃষক পাচ্ছেন না। মধ্যস্বত্বভোগীরা এ সুযোগ নিচ্ছেন। তাই পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ দিলে বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমে যাবে। ভোক্তারা যৌক্তিক মূল্যে পেঁয়াজ কিনতে পারবেন।

বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মতে, কিছু মধ‍্যস্বত্বভোগী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ এই সময়ে ৯০ টাকার মধ্যে থাকার কথা থাকলেও তা বেড়ে এখন ১১৫ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ পার্শ্ববর্তী দেশে এই পেঁয়াজের দাম এখন প্রায় ৩০ টাকার মধ্যে রয়েছে।

জানা যায়,গত অর্থবছরে দেশে ৪৪ লাখ ৪৮ হাজার টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে। তবে সংরক্ষণ সমস্যাসহ নানা কারণে পেঁয়াজ নষ্ট হয়। তাই গত অর্থবছরে ৩৩ লাখ টনের মতো পেঁয়াজ বাজারে এসেছে।

ট্যারিফ কমিশন বলেছে, বাংলাদেশের পেঁয়াজ আমদানি প্রধান উৎস দেশ ভারত। ভারত থেকে পেঁয়াজের মোট আমদানির ৯৯ শতাংশই করা হয়। এ ছাড়া তুরস্ক, পাকিস্তান, মিয়ানমার, চীন ও মিসর থেকেও পেঁয়াজ আমদানি হয়। গত অর্থবছরে মোট ৪ লাখ ৮৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। বর্তমানে পেঁয়াজের ওপর মোট ১০ শতাংশ শুল্ককর প্রযোজ্য রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর