ঢাকা: আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং তারল্য ব্যবস্থাপনা সুসংহত করতে নীতি সুদহার বা পলিসি রেট ১০ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখা হলেও, ব্যাংকগুলোকে ঋণ দিতে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে টাকা জমা রাখার সুদ ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মনিটারি পলিসি ডিপার্টমেন্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কিছু ব্যাংক আন্তঃব্যাংক, মুদ্রাবাজার বা বেসরকারি খাতে ঋণ প্রদানের পরিবর্তে তাদের অতিরিক্ত তারল্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। ফলে কলমানি মার্কেটসহ আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারের স্বাভাবিক গতিশীলতা ব্যাহত হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে মনিটারি পলিসি কমিটির (এমপিসি) ১১তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সুদহার করিডোরের নিম্নসীমা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এতে ব্যাংকগুলোর তারল্য ব্যবস্থাপনায় আরও সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত হবে এবং আন্তঃব্যাংক বাজারে লেনদেন বাড়বে।
এই প্রেক্ষাপটে স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএল) হার আগের মতোই ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ওভারনাইট রেপো নীতি সুদহার ১০ দশমিক ০০ শতাংশ বহাল থাকবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে সুদহারে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে স্বল্প ঋণ দেয়, সেটাই হচ্ছে নীতি সুদহার বা রেপো রেট। রেপোর বাংলা হচ্ছে পুনঃক্রয় চুক্তি। রেপো রেট মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতির একটি অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, নীতি সুদহার করিডোরের নিম্নসীমা পুনঃনির্ধারণসংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।