ঢাকা: দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ওঠানামা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৯ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৯৯৪ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা আগে ৩৪ মিলিয়নের ঘরে ছিল।
রোববার (২৯ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানায়।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এর বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ২৯৬ দশমিক ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভকে তুলনামূলকভাবে বেশি গ্রহণযোগ্য ধরা হয়, কারণ এতে স্বল্পমেয়াদি দায় ও অন্যান্য সমন্বয় বিবেচনায় নেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে রিজার্ভে কিছুটা চাপ রয়েছে। তবে একই সঙ্গে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রবাহ বৃদ্ধি এবং রফতানি আয়ের ধারাবাহিকতা রিজার্ভকে সহায়তা করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ একটি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এটি আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং মুদ্রার বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্তমানে প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলারের বিপিএম৬ রিজার্ভ দিয়ে কয়েক মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, রফতানি আয় জোরদার এবং অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।