Sunday 29 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

এমটিএফই’র মাধ্যমে পাচার ৪৪ কোটি টাকা ফিরিয়ে আনল সিআইডি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৩০ মার্চ ২০২৬ ০৩:০৫

সিআইডি। ফাইল ছবি

ঢাকা: দুবাইভিত্তিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম মেটাভার্স ফরেন এক্সচেঞ্জ (এমটিএফই) গ্রুপের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার হওয়া ৪৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ফিরিয়ে এনেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এমনকি এই টাকা এরই মধ্যে সোনালী ব্যাংকে সিআইডির অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে।

রোববার (২৯ মার্চ) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দীন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বহুল আলোচিত এমটিএফই (মেটাভার্স বৈদেশিক মুদ্রা) প্রতারণার মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা টাকার একটি অংশ সফলভাবে দেশে ফিরিয়ে এনেছে সিআইডি। এ পর্যন্ত ৪৪ কোটিরও অধিক টাকা উদ্ধার করে দেশে আনা হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

জসীম উদ্দীন জানান, গত ১৪ মার্চ অ্যাসেট রিয়েলিটি লিমিটেড এই অর্থ জমা দেয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক জেপি মরগানের মাধ্যমে তা সোনালী ব্যাংকের ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হটপ য়। এমটিএফই অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে প্রতারণার জাল ছড়িয়েছিল বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশে।

সিআইডি জানায়, এমটিএফই ২০২২ সালের জুনের দিকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে। লোভনীয় বিজ্ঞাপন দেখে অনেকে আগ্রহী হন এবং ২০২৩ সালের শুরুতে এর বিস্তার দ্রুত বাড়ে। ব্যবহারকারীদের ভার্চ্যুয়াল ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট দেওয়া হতো, যেখানে জমা অর্থ ডিজিটাল ডলার হিসেবে দেখানো হতো। এমটিএফই এর ট্রেডিং কার্যক্রম ছিল ভুয়া। শুরুতে কিছু অর্থ পরিশোধ করে বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করা হয়। কিন্তু ২০২৩ সালের মাঝামাঝি হঠাৎ করে অর্থ উত্তোলন বন্ধ করে উধাও হয়ে যায় এমটিএফই।

সিআইডি আরও জানায়, এরপর মারুফ রহমান নামের এক ব্যক্তি ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট খিলগাঁও থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এমটিএফই’র বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। এতে এমটিএফই বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাসুদ আলম, এজেন্ট মোবাশিরুল এবাদসহ ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়।

এদিকে, তদন্তে ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টে দেখানো ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা সম্পূর্ণ কাল্পনিক ছিল বলে দেখতে পায় সিআইডি। বিনিয়োগকারীদের অর্থ এমটিএফই-সংযুক্ত ওয়ালেটে নিয়ে কেন্দ্রীয় অ্যাকাউন্টে জমা করা হতো এবং সেখান থেকে বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেটে ছড়িয়ে দেওয়া হতো। এভাবে বাংলাদেশ থেকে পাচার হতো অর্থ।

সারাবাংলা/এমএইচ/পিটিএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর