ঢাকা: বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং বাংলাদেশের জনশক্তিকে অধিক দক্ষ করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করছে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ’। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের ১০ লাখ নাগরিককে এআই-নেটিভ হিসেবে গড়ে তোলা।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৭ জানুয়ারি ঢাকার ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে ‘জেনেসিস এআই কনফারেন্স’- এর মাধ্যমে এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিগত দুই দশকে উন্নয়নের মাপকাঠি ইন্টারনেট ও ডিভাইসের প্রাপ্যতা হলেও, আগামী দশকের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সঠিক ব্যবহার। এই প্রেক্ষাপটে, দেশের ১০ লাখ নাগরিককে ‘এআই-নেটিভ’ হিসেবে গড়ে তোলার একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও শক্তিশালী কর্মকাঠামো উন্মোচন করেছে মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ।
১৬ জানুয়ারি: ন্যাশনাল এআই বিল্ড-এ-থন
ঢাকার সোবহানবাগের ড্যাফোডিল প্লাজাতে অনুষ্ঠিত হবে ‘ন্যাশনাল এআই বিল্ড-এ-থন’। নিবন্ধিত ৩৮৪টি দল থেকে নির্বাচিত ৬২টি দল ৫টি ক্যাটাগরিতে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। তরুণদের এআই নিয়ে প্রবল আগ্রহকে উৎপাদনশীলতায় রূপান্তর করতেই এই আয়োজন।
১৭ জানুয়ারি: জেনেসিস এআই কনফারেন্স
‘জেনেসিস এআই কনফারেন্স’- এর মাধ্যমে দেশীয় মেধা ও বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে একটি ‘জাতীয় এআই চার্টার’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হবে। দিনব্যাপী এই আয়োজনে থাকবে কী-নোট সেশন, প্যানেল আলোচনা এবং একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির যোগসূত্র স্থাপনের বিশেষ সেশন। এতে দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য প্রযুক্তিবিদ, নীতিনির্ধারক ও শিল্পনেতারা উপস্থিত থাকবেন। সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এই আয়োজন। রেজিস্ট্রেশন ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য: https://millionxbangladesh.org/event/day2
উদ্যোগটির প্রধান উদ্যোক্তা ড. জুনায়েদ কাজী জানান, ‘এআই একটি বিশাল এনাবেলার, যা যেকোনও উদ্যোগকে কয়েক গুণ বিকশিত করতে পারে। আমাদের লক্ষ্য হলো, শিশু-কিশোর, শিক্ষক-শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সরকারি নীতিনির্ধারক সব পর্যায়ে এআইকে পৌঁছে দেওয়া, যাতে প্রত্যেকে তাদের কর্মদক্ষতা বহুগুণ বাড়াতে পারেন। শিক্ষা, উদ্ভাবন, নীতিনির্ধারণ, শিল্পখাত এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই পাঁচটি ক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করবো।’
এই আয়োজনে সহযোগিতা করছে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) ও বিলিয়ন্স ফর বাংলাদেশ। কারিগরি সহযোগিতায় আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস, ক্যারিয়ার ক্যানভাস এবং ভার্সেল ভিজিরো।