Saturday 10 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১০ জানুয়ারি ২০২৬ ০০:৪৩ | আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ০০:৪৫

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে চলমান আলোচনাকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে অভিহিত করেছে নয়াদিল্লি। ভারত এই পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জয়সওয়াল সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি। খবর এনডিটিভি।

সম্প্রতি বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খানের ইসলামাবাদ সফর এবং সেখানে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জয়সওয়াল স্পষ্ট করেন, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন যেকোনো পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি গভীর নজর রাখছে।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ঢাকা ও করাচির মধ্যে পুনরায় সরাসরি ফ্লাইট চালু এবং ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি প্রসঙ্গেও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে মুখপাত্র জানান, এ ধরনের বিষয়গুলো বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান ‘এয়ার সার্ভিসেস চুক্তি’ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে।

একই সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়েও কথা বলেন রণধীর জয়সওয়াল। তিনি বাংলাদেশে উগ্রবাদী গোষ্ঠী কর্তৃক সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বারবার হামলার ঘটনাকে একটি ‘উদ্বেগজনক ধারাবাহিকতা’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

জয়সওয়াল জোর দিয়ে বলেন, ‘এ ধরনের সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলো দ্রুত এবং কঠোরভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘ভারত লক্ষ্য করছে যে, বাংলাদেশে এ ধরনের হামলার ঘটনাগুলোকে অনেক সময় ব্যক্তিগত শত্রুতা, রাজনৈতিক মতপার্থক্য বা অন্যান্য বাহ্যিক কারণে দায়ী করার একটি প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এই ধরনের অবহেলা বা দায় এড়ানোর চেষ্টা কেবল উগ্রবাদী ও অপরাধীদের আরও সাহসী করে তোলে এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতিকে আরও গভীর করে।‘

এ ছাড়া বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, ‘ভারত বরাবরের মতোই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে আসছে। ভারত মনে করে, একটি বিশ্বাসযোগ্য জনমত বা ম্যান্ডেট প্রতিষ্ঠার জন্য সকল প্রধান রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর