ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, অবৈধ আলোচনা সহ্য করা হবে না এবং একতরফাবাদ ও জোরজবরদস্তির পরিবর্তে ন্যায়সঙ্গত অবস্থান, আন্তর্জাতিক আইন ও বহুপাক্ষিকতাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ওআইসির কাউন্সিল অব ফরেন মিনিস্টার্সের ২২তম বিশেষ অধিবেশনে এ কথা জানান তিনি।
সোমালিয়ার একটি অঞ্চলকে ইসরায়েলের স্বীকৃতি দেওয়া এবং এতে সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর প্রভাব, পাশাপাশি এর বৃহত্তর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা করতে এই জরুরি অধিবেশন আহ্বান করে ওআইসি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখা, সদস্য দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য ও সংহতি রক্ষায় ওআইসির সম্মিলিত সংকল্পের সঙ্গে বাংলাদেশ সম্পূর্ণরূপে একাত্ম রয়েছে।”
তিনি ওআইসিকে তথাকথিত ‘সোমালিল্যান্ডকে ইসরায়েলের স্বীকৃতি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা জানানোর আহ্বান জানান।
একইসঙ্গে সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি পূর্ণ ও অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করার আহ্বান জানান।
এর আগে, শনিবার সকালে ওআইসির সদস্য দেশগুলোর বিপুল সংখ্যক প্রতিনিধির অংশগ্রহণে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের (সিএফএম) বিশেষ অধিবেশনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি অব্যাহত সংহতি জানানো হয়।