Saturday 17 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

আইএইএ প্রধানের সঙ্গে বৈঠকে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৩৯
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ মেটাতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনার প্রস্তুতি চলছে। এই আলোচনার প্রাক্কালে জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানও সোমবার বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালীতে সামরিক মহড়া শুরু করেছে।

বিজ্ঞাপন

‘স্মার্ট কন্ট্রোল অব দ্য স্ট্রেইট অব হরমুজ’ নামক এই মহড়ার মাধ্যমে ইরান তাদের নৌ-শক্তির সক্ষমতা যাচাই করছে।

ইরান বারবার সতর্ক করেছে, আক্রান্ত হলে তারা এই প্রণালীটি বন্ধ করে দেবে, যা বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ নিয়ন্ত্রণ করে।

যুক্তরাষ্ট্র এবার কেবল পরমাণু নয়, বরং ইরানের মিসাইল ভাণ্ডার নিয়েও আলোচনার পরিধি বাড়াতে চাইছে। তবে ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা কেবল পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে আলোচনা করবে, বিনিময়ে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করার প্রস্তাব তারা মানবে না। মিসাইল বা প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও হাঙ্গেরি সফরকালে বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে চুক্তি করা অত্যন্ত কঠিন কাজ। আমরা কূটনীতির সুযোগ দিচ্ছি, কিন্তু তাদের ধর্মীয় ও আদর্শিক অনড় অবস্থানের কারণে প্রকৃত সমাধান পাওয়া দুষ্কর।’

জাতিসংঘের পরমাণু সংস্থা আইএইএ গত জুন মাসে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ইরানের তিনটি প্রধান পরমাণু কেন্দ্র (নাতানজ, ফোরদো ও ইসফাহান) পরিদর্শনের অনুমতি চাইছে। এ ছাড়া, হামলার পর ইরানের ৪৪০ কেজি উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বর্তমান অবস্থা কী, সে বিষয়েও স্বচ্ছতা দাবি করছে সংস্থাটি।

অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন যেন কোনো চুক্তিতে শুধু ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ নয়, বরং ইরানের পুরো পরমাণু অবকাঠামোই ভেঙে ফেলার শর্ত থাকে।

সারাবাংলা/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর