Tuesday 22 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা / কাতার ও বাহরাইন থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার

আর্ন্তজাতিক করেসপন্ডেন্ট
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৪৬
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে কাতার এবং বাহরাইনের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি থেকে শত শত সেনা সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস পেন্টাগনের গোপন সূত্রের বরাতে শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে এরই মধ্যে কয়েকশ মার্কিন সেনাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আল উদেইদ মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি। সেখানে নিয়মিত প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েন থাকেন। বিষয়টি জানেন এমন কর্মকর্তারা বলেছেন, হঠাৎ উত্তেজনা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাহিনীর প্রভাব কমাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বাহরাইন থেকেও সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেখানে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।

তেহরানের সঙ্গে সামরিক সংঘর্ষের সম্ভাবনা এবং অঞ্চলজুড়ে প্রতিশোধমূলক হামলার ঝুঁকির কারণে ওয়াশিংটন এই সেনা প্রত্যাহার কাজ শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে কোনো সামরিক অভিযান চালায়, তবে তেহরান পালটা আঘাত হিসেবে এ অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন এক চিঠিতে সতর্ক করে বলেছে, ইরান আক্রান্ত হলে এ অঞ্চলে থাকা শত্রু বাহিনীর সব ঘাঁটি ও স্থাপনা ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে গণ্য হবে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য ওয়াশিংটনকেই পূর্ণ দায়ভার বহন করতে হবে বলেও ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

তবে কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা কমালেও ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঘাঁটিগুলোতে এখনো মার্কিন বাহিনী অবস্থান করছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।

মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুততার সঙ্গে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগনের কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, এ প্রস্তুতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে চাইলে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই ইরানে হামলা চালাতে পারে ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তেহরানকে ১০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর