যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দেশটির পবিত্র শহর মাশহাদে সমাহিত করা হবে। খামেনির জন্মস্থান মাশহাদ হচ্ছে ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শহর।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সংবাদ সংস্থা ফারস মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে।
তবে খামেনির দাফনের সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। মাশহাদ শহরের ইমাম রেজা মাজার কমপ্লেক্সে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বাবার সমাধিও রয়েছে।
দাফনের আগে রাজধানী তেহরানে খামেনিকে শেষবিদায় জানাতে ‘বড়সড়’ আয়োজন করা হবে বলে নিজেদের টেলিগ্রামে ঘোষণা দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
তবে তারিখ ও সময়সূচি সম্পর্কে ইরানের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি।
৩৬ বছর ধরে দেশটির নেতৃত্বদানকারী খামেনি শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার এক ঢেউয়ের সময় ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন।
খামেনির মৃত্যুর পর, বিশেষজ্ঞ পরিষদ তার উত্তরসূরি নির্বাচন না করা পর্যন্ত তিন সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিলের হাতে ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয়।
এতে রাষ্ট্রপতি, বিচার বিভাগের প্রধান এবং অভিভাবক পরিষদের একজন আইনবিদ অন্তর্ভুক্ত থাকেন, যে সংস্থা আইন প্রণয়নের তত্ত্বাবধান করে এবং নির্বাচনি প্রার্থীদের যাচাই করে।
এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ফার্স জানিয়েছে যে ‘নিরাপত্তার কারণে’ খামেনির দাফনের পর পর্যন্ত পরিষদের চূড়ান্ত সভা স্থগিত করা যেতে পারে।
ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত পবিত্র শহর কোমে ৮৮ সদস্যের এই সংস্থার ভবনটি মঙ্গলবার মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের রাজধানীতে এর প্রধান সদর দফতরও আগের দিন আঘাত হেনেছিল।