মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে দুটি রণতরি (এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার) পাঠানোর বিষয়ে ব্রিটেন ‘গুরুত্ব সহকারে চিন্তাভাবনা’ করছে। তবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হতে যুক্তরাষ্ট্রের এই ব্রিটিশ রণতরিগুলোর আর কোনো প্রয়োজন নেই।
রোববার (৮ মার্চ) রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
ইরানের ওপর প্রাথমিক হামলার সময় ব্রিটেনের সামরিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে না দেওয়ায় কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, স্টারমার দুই দেশের ঐতিহাসিক ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ‘নষ্ট’ করে দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ঠিক আছে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার, আমাদের আর ওগুলোর প্রয়োজন নেই। তবে আমরা এটি মনে রাখব। যুদ্ধ জেতার পর যারা যোগ দিতে আসে, এমন কাউকে আমাদের দরকার নেই!’
শনিবার ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রিন্স অব ওয়েলস বিমানবাহী রণতরীকে সম্ভাব্য মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত করার কথা বলার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পোস্টটি ডোনাল্ড ট্রাম্প।
প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ আইনগতভাবে বৈধ এবং সুপরিকল্পিত কি না—সে বিষয়ে তার নিশ্চিত হওয়ার প্রয়োজন ছিল। তবে পরে তিনি মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেন, যেটিকে তিনি ইরানের মিসাইল ডিপো বা লাঞ্চারগুলোর বিরুদ্ধে ‘প্রতিরক্ষামূলক হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।