Tuesday 17 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

কে এই আলী লারিজানি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৭ মার্চ ২০২৬ ১৬:১৭ | আপডেট: ১৭ মার্চ ২০২৬ ১৭:০৯

আলী লারিজানি।

ইরানের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী এবং তুলনামূলকভাবে মিতভাষী ও বাস্তববাদী হিসেবে পরিচিত আলী লারিজানি দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল) সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দেশের কৌশল নির্ধারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

১৯৫৮ সালে ইরাকের নাজাফ শহরে জন্মগ্রহণ করেন লারিজানি। তার পরিবারের মূল শিকড় ইরানের আমোল শহরে। ‘টাইম ম্যাগাজিন’ প্রভাবশালী এই পরিবারকে একসময় ‘ইরানের কেনেডি পরিবার’ বলে উল্লেখ করেছিল। তার বাবা ছিলেন একজন খ্যাতিমান ধর্মীয় পণ্ডিত।

বিজ্ঞাপন

২০ বছর বয়সে লারিজানি বিয়ে করেন ফরিদে মোতাহারিকে, যিনি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির এক ঘনিষ্ঠ সহচরের মেয়ে।

সমসাময়িক অনেক নেতার তুলনায় লারিজানির অ্যাকাডেমিক পটভূমি ছিল ভিন্নধর্মী। তিনি গণিত ও কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে পাশ্চাত্য দর্শনে ডক্টরেট সম্পন্ন করেন, যেখানে ইমানুয়েল কান্টের দর্শন ছিল তার গবেষণার মূল বিষয়।

১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর তিনি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীতে (আইআরজিসি) যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি সংস্কৃতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির প্রধানও নিযুক্ত হন।

২০০৫ সালে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব এবং ইরানের প্রধান পরমাণু আলোচক হিসেবে দায়িত্ব পান। ২০০৭ সালে এ পদ থেকে সরে দাড়ান। পরে ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং টানা তিন মেয়াদে পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি অনুমোদনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

২০২৫ সালের আগস্টে লারিজানি পুনরায় জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ক্ষমতার কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হন।

সারাবাংলা/এআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর