নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সক্ষমতা ব্যবহারের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর ‘খাতাম আল আম্বিয়া’ কেন্দ্রীয় সদর দফতরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি এ কথা জানিয়েছেন।
সোমবার (২৪ মার্চ) আল জাজিরার খবরে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে জোলফাগারি জোর দিয়ে বলেন, `ইরান বুদ্ধিমত্তা ও শক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করছে।’
এই অঞ্চলে বহিরাগত কোনো দেশের হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজের বরাতে তিনি আরও জানান, ইরাকের এরবিলে ‘ব্যাপক হামলা’ চালিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এ ছাড়া ইরানি বাহিনী সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধফরা বিমানঘাঁটি ও সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরকেও (ফিফথ ফ্লিট) লক্ষ্যবস্তু করেছে।
ইসরায়েলের তেল আবিব, হাইফা, আশকেলন শহর ও গুশ দান এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবিও করেছেন এই মুখপাত্র।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণকে ‘প্রতারণামূলক’ আখ্যা দিয়ে আইআরজিসি জানায়, এসব করে ইরানকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বিচ্যুত করা যাবে না। শত্রুপক্ষের ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’ এখন ইরানের কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পিছু হটতে বাধ্য হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।