ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বীরশেবার একটি শিল্প এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সেখান থেকে বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ লিক বা ছড়িয়ে পড়ার প্রবল শঙ্কা করা হচ্ছে।
রোববার (২৯ মার্চ) আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওই শিল্প এলাকার আশেপাশের বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের না হতে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের ঘরের জানালা বন্ধ রাখতে এবং পরবর্তী নির্দেশনার জন্য সার্বক্ষণিক সংবাদ ও প্রশাসনের বার্তার দিকে নজর রাখতে বলেছে।
ইসরায়েলের কেন্দ্রস্থলের সঙ্গে বীরশেবাকে সংযোগকারী প্রধান মহাসড়কটি বর্তমানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন-ইসরায়েলে ইরান-হিজবুল্লাহর যৌথ হামলা, ১০০ শহরে বেজে উঠল সাইরেন
উদ্ধারকারী দলগুলো এখন তিনটি মূল লক্ষ্যে কাজ করছে। রাসায়নিক দূষণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তা নিয়ন্ত্রণ করা। নতুন করে কোনো গ্যাস লিক বা বিস্ফোরণ এড়াতে পুরো এলাকা ঠান্ডা রাখা এবং হামলার ফলে সৃষ্ট আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা।
আক্রান্ত এই শিল্প এলাকায় প্রায় ১৯টি ভিন্ন ভিন্ন কারখানা রয়েছে, যার মধ্যে ব্রোমাইড কারখানা এবং একাধিক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ইসরায়েলের মূল বিপজ্জনক বর্জ্য নিষ্কাশন কেন্দ্রটি এখানেই অবস্থিত। ফলে এখানে বড় ধরনের কোনো লিক হওয়ার অর্থ হলো ব্যাপক পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যঝুঁকি।
ঠিক কোন কারখানাটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বা সেখানে কী ধরনের রাসায়নিক উৎপাদিত হয়, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ইসরায়েলি সামরিক সেন্সর বোর্ড নিরাপত্তার খাতিরে এসব তথ্য আপাতত গোপন রেখেছে।
আরও পড়ুন-ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র, রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ
মধ্যরাত থেকে ইরানের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মূল লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ ইসরায়েলের নেগেভ মরুভূমি অঞ্চল। এই অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের পাশাপাশি ইসরায়েলের বেশ কিছু কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা অবস্থিত।