Friday 30 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ইরাকে মার্কিন ‘ভিক্টরি বেস’ ঘাঁটিতে হামলা, ব্যর্থ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
৩০ মার্চ ২০২৬ ১৩:৩৭
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে সোমবার ভোরের দিকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে, এগুলো ড্রোন নয়, বাগদাদ থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত মার্কিন ‘ভিক্টরি বেস’ ঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোড়া রকেটের শব্দ।

সোমবার (৩০ মার্চ) সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার খবরে এম তথ্যই প্রকাশ করা হয়েছে।

এই প্রথমবারের মতো মার্কিন ভিক্টরি ঘাঁটি সরাসরি হামলার শিকার হলো। তবে বর্তমানে সেখানে কোনো মার্কিন সেনা নেই। তারা আগেই এ সামরিক ঘাঁটি খালি করে চলে গেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এ রকেটগুলো ঠেকাতে পারেনি। রকেটগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ইরাকি স্পেশাল ফোর্সের একটি ‘এ৩২০বি’ পরিবহন উড়োজাহাজে আঘাত করলে সেটিতে আগুন ধরে যায়।

বিজ্ঞাপন

এ হামলা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও প্রতীকী। কারণ, ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের চূড়ান্ত সময়ে এ এলাকাটিকে দেশটির সবচেয়ে নিরাপদ ও সুরক্ষিত স্থান মনে করা হতো। সেই সংরক্ষিত এলাকাটিই এখন হামলার মুখে পড়েছে।

এছাড়া রাতভর বাগদাদের আকাশে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলোকে চক্কর দিতে দেখা গেছে।

তুরস্কের গণমাধ্যম তুর্কি টুডের খবরে বলা হয়, ‘ভিক্টরি বেস’-এ একটি ড্রোন আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে ইরাকের নিরাপত্তা সূত্রগুলো। তবে এই হামলার দায় এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান-ঘনিষ্ঠ মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো এ ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে আসছে। এবারের ড্রোন হামলাটি সেই অভিযানেরই সর্বশেষ ঘটনা।

বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে অবস্থিত এই ঘাঁটিতে হামলার সূত্রপাত হয় মূলত ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পরপরই। তেহরানে হামলার ঠিক দুদিন পর, ২ মার্চ ইরাকি শিয়া মিলিশিয়া গোষ্ঠী ‘সারায়া আউলিয়া আল-দাম’ এ চত্বরে দুটি ড্রোন ছোড়ে।

গোষ্ঠীটি মূলত ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’-এর ছত্রছায়ায় কাজ করে। তখন একটি ড্রোন মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মাঝপথে ধ্বংস করতে পারলেও অন্যটি সীমানা পেরিয়ে ভেতরে আঘাত হানে।

অন্যদিকে, ইরাকের কুর্দি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের রাজধানী ইরবিলে আজ ড্রোনের মাধ্যমে আরও একটি হামলা চালানো হয়েছে। সেখানে মার্কিন কনস্যুলেট লক্ষ্য করে ড্রোন ছোড়া হলেও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো মাঝপথে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম হয়।

সব মিলিয়ে ওই অঞ্চলে সংঘাতের মাত্রা আরও বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর