ইরানের জব্দ থাকা ১২ বিলিয়ন ডলার সম্পদ যুক্তরাষ্ট্র ছাড় দিতে রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
আর জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২২ জুন) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে গালিবাফ বলেন, ‘জব্দ থাকা ১২ বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ ছাড়ের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সুইজারল্যান্ডে চূড়ান্ত হয়েছে।’
আগস্ট ২১ তারিখ পর্যন্ত ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল বিক্রির অনুমতি দিতে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার ঘোষণা দেওয়ার পর এই চুক্তিটি হয়।
গালিবাফ জানিয়েছেন, ১২ বিলিয়ন ডলার মূলত ৬ বিলিয়ন ডলারের আলাদা দুটি কিস্তি নিয়ে গঠিত। অতীতের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এই অর্থ জব্দ অবস্থায় ছিল।
তিনি বলেন, সমঝোতা স্মারকের আওতায় তেহরান যে প্রধান অর্জনগুলো নিশ্চিত করেছে, তহবিল ছাড় তার মধ্যে অন্যতম।
তিনি জানান, চুক্তির আওতায় কয়েকটি খাতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে। চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত অপরিশোধিত তেল রফতানি, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য ও সংশ্লিষ্ট উপজাতের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার থাকবে। এ সুবিধা ব্যাংকিং, বীমা ও পরিবহন খাতেও প্রযোজ্য হবে বলে জানান তিনি।
গালিবাফের মতে, বৃহত্তর এই সমঝোতার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে সহায়তা করবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরান আন্তর্জাতিক পারমাণবিক পরিদর্শনের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে এবং ইরানের মুক্ত হওয়া যেকোনো সম্পদ মার্কিন কৃষি পণ্য কিনতে ব্যবহার করা হবে।