Tuesday 13 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

প্লট দুর্নীতি
শেখ হাসিনা-টিউলিপ-আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:১৫

শেখ হাসিনা, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক। ছবি কোলাজ: সারাবাংলা

ঢাকা: ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার দুই ভাগ্নি শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে রায়ের দিন ধার্য করেছেন আদালত। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম এ দিন ধার্য করেন।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এদিন মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা একমাত্র আসামি রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যান্য আসামিরা পলাতক থাকায় তারা যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সুযোগ পাননি। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আগামী ২ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য দিন ঠিক করেন।

বিজ্ঞাপন

এ মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ মোট ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে একই আদালতে শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিক ও রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা আরেকটি মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানা, তার দুই মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিক এবং ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববির বিরুদ্ধে পৃথক ছয়টি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর মধ্যে শেখ হাসিনা পরিবারের তিনটি মামলার বিচার শেষে সাজা হয়েছে। শেখ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধেও একটি মামলায় দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন— জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য মেজর (অব.) ইঞ্জিনিয়ার সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান ও হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকাকালে শেখ হাসিনা ও তার পরিবার ক্ষমতার অপব্যবহার করে অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরে প্রত্যেকে ১০ কাঠা করে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর