Thursday 22 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যাচ্ছেন বিএনপির মঞ্জুরুল আহসান

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৩০

বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।

ঢাকা: কুমিল্লা-৪ আসনে মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করতে যাচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আপিল বিভাগে এ আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে, বুধবার (২১ জানুয়ারি) মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ফলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানান আইনজীবীরা।

বিজ্ঞাপন

আদালতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ ও অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। অপরদিকে, একই আসনের আরেক প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকীসহ অন্যান্য আইনজীবীরা।

শুনানি শেষে হাসনাত আবদুল্লাহর আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু বলেন, ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী প্রতারণা করেছেন। আদালত তার প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন। তবে হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

এর আগে, গত ১৭ জানুয়ারি আপিলে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯ জানুয়ারি তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ২০ জানুয়ারি রিট শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।

উল্লেখ্য, শুরুতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। আপিলে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির প্রার্থী ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করেছেন।

আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে শুনানি শেষে ইসি হাসনাত আবদুল্লাহর আপিল মঞ্জুর করলে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

সারাবাংলা/টিএম/ইআ
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর