ঢাকা: চব্বিশের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাত শীর্ষ নেতার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল এ কার্যক্রম শুরু করে। অন্য দুই বিচারক হলেন মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শহীদ আসিফ ইকবালের বাবা এমএ রাজ্জাক। ৬৫ বছর বয়সী তিনি একসময় বেসরকারি চাকরি করতেন। রাজ্জাক বলেন, তার ছেলে মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়াশোনা করার পাশাপাশিদারাজে কাজ করতো, এবং ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ এলাকায় আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। সেইদিন জুমার নামাজও স্থানীয় একটি মসজিদে আদায় করেছে আসিফ।
ট্রাইব্যুনাল সাক্ষ্যগ্রহণ অসমাপ্ত রেখে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত মুলতবি করেন। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন মিজানুল ইসলাম, সঙ্গে ছিলেন ফারুক আহাম্মদ ও সহিদুল ইসলাম সরদার।
মামলায় পলাতক আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
গত ২২ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর ১৮ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ও ৮ জানুয়ারি পলাতক আসামিদের জন্য দুইজন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।