কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ পাঁচ রোহিঙ্গাকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)। এর ফলে তাদের ডাকাতির পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে বলে দাবি র্যাবের।
বুধবার (৪ মার্চ) র্যাব-১৫ কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (আইন ও গণমাধ্যম শাখা) আ. ম. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—মো. আলম (৩৩), মো. রশিদ (৪৪), সৈয়দ আলম (২৯), নূর কামাল (২৮) এবং জাহেদ উল্লাহ্ (২১)। তারা উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ১০টার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী পান বাজার এলাকায় আব্দুর রহমানের ভাড়া বাসায় সশস্ত্র কয়েকজন ব্যক্তি ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজনরা পালানোর চেষ্টা করলে পাঁচজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তবে অন্ধকারের সুযোগে ২-৩ জন পালিয়ে যায়।
র্যাব জানায়, এ সময় আটককৃতদের দেহ তল্লাশি করে একটি দেশীয় তৈরি পিস্তল ও একটি গুলিভর্তি ধারক, চার রাউন্ড গুলি ও একটি ছোড়া গুলির খোসা, একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, তিন রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ভাঁজ করা যায় এমন দুইটি ইস্পাতের চাকু, তিনটি বিশেষ ধরনের ধারালো আংটি এবং চারটি মুঠোফোন ও বিভিন্ন অপারেটরের সংযোগ চিপ উদ্ধার করা হয়।
র্যাব কর্মকর্তা আ. ম. ফারুক বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক হওয়া ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা ও ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।’
তিনি আরও জানান, আটককৃত মো. আলমের বিরুদ্ধে ২০২৪ সাল থেকে টেকনাফ থানায় একটি অস্ত্র মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা রুজু করে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।