ঢাকা: চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন সিআইডির ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ শাহেদ জোবায়ের লরেন্স।
রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের একক বেঞ্চে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
মামলার ৯ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন সিআইডির ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের উপপরিদর্শক শাহেদ জোবায়ের লরেন্স। তিনি মামলায় উদ্ধার হওয়া আলামত যাচাই বাছাই ও ফরেনসিক বিশ্লেষণের বিষয়টি আদালতকে জানান। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পলাতক আসামিদের পক্ষে সরকারি খরচে নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন।
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ ও সহিদুল ইসলাম সরদার।
এর আগে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। সেদিন প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শহিদ আসিফ ইকবালের বাবা এম. এ. রাজ্জাক। ৬৫ বছর বয়সী এই সাক্ষী জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ এলাকায় তার ছেলে নিহত হন।
মামলায় পলাতক অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ. ফ. ম. বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
গত ২২ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। তারও আগে, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করা হয়।