ঢাকা: নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে ঢাকাগামী একটি লঞ্চে কলেজছাত্রীকে কেবিনে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার দুই আসামির মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্য আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের হাজির করা হলে মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু (৩২) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
একই শুনানিতে অপর আসামি মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিনকে (২৬) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মশিউল আলম আসামিদের আদালতে হাজির করে সাকিবের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পুলিশ জানায়, গত রোববার নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমরুদ্দি লঞ্চঘাট থেকে ঢাকাগামী এমভি ফারহান-৪ লঞ্চে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ১৭ বছর বয়সী এক কলেজছাত্রী অভিযোগ করেন, লঞ্চের একটি কেবিনে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় নুরুজ্জামান ও সাকিবের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং প্রাথমিক তদন্ত শেষে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মেয়েটির বাবা তাকে লঞ্চের একটি কেবিনে তুলে দিয়ে চলে যাওয়ার পর অভিযুক্তরা সেখানে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।