Wednesday 16 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

১৭২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ / সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট অনুমোদন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:১৯

সাবেক আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

ঢাকা: ‎১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

‎বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান দুদক সচিব সাইদুর রহমান।

‎তিনি জানান, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা), ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয় (মামলা নম্বর ১)। সাবেক আইনমন্ত্রী হিসেবে পাবলিক সার্ভেন্ট পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার, অপরাধমূলক অসদাচরণ ও অসাধু উপায়ে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি হয়েছিল।

‎দুদকের তদন্তে উঠে আসে, আসামির নামে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ রয়েছে। এ ছাড়া আনিসুল হক ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ২৩টি ব্যাংক হিসাবে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৯৯ হাজার ৪৫২ টাকা জমা এবং ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ ২৭ হাজার ১২৯ টাকা উত্তোলনসহ সর্বমোট ৭৩৭ কোটি ২৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৮১ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। ‎তিনি স্বনামে ও বেনামে তার ছোটো ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হক, বোনের ছেলে (ভাগ্নে) শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম এবং কথিত কাজিন মোহাম্মদ ইকবাল—এই তিনজনের সহায়তায় সম্পদ অর্জন ও পরিচালনা করেন। এই তিনজন আনিসুল হককে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে মোট ৮৪ কোটি ৫ লাখ ৭ হাজার ১ টাকার সম্পদ অর্জনে সহায়তা করায় তদন্তে তাদেরকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

‎দুদক সূত্রে জানা যায়, ২৯টি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের চেষ্টা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ও ৪ (৩) ধারায় চার্জশিট প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর