Friday 02 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

গণভোটের প্রচারণায় বিলবোর্ড বসাচ্ছে সরকার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৩৬ | আপডেট: ২ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৫১

‎‎ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে। গণভোটের ব্যাপারে জনসচেতনতার লক্ষ্যে শহরাঞ্চলের জনবহুল জায়গাগুলোতে ডিজিটাল ও ম্যানুয়াল বিলবোর্ড স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

‎বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সারাদেশের সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়র, প্যানেল মেয়র ও প্রশাসকদের এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

‎বিকেল ৩টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সভাকক্ষে (দ্বিতীয় তলা) আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ। সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্য সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার প্রতিনিধিরা অনলাইনে অংশ নেন। মোট ১২টি সিটি করপোরেশন ও ৩৩০টি পৌরসভার প্রশাসকরা এ সভায় যুক্ত হন।

‎সভার শুরুতে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

‎সভায় জানানো হয়, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতোমধ্যে বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে। কোথাও কোথাও বিলবোর্ডের মাধ্যমেও প্রচারকাজ চলছে এবং আরও বিলবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, তথ্যচিত্র প্রদর্শন, উঠান বৈঠক এবং ভোট আলাপসহ বিভিন্ন সভা-সমাবেশের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, ভোটের গাড়ি বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঘুরে প্রচারণা চালাচ্ছে। এ পর্যন্ত সাতটি ভিডিও কনটেন্ট তৈরি হয়েছে, আরও কনটেন্ট তৈরির কাজ চলমান।

‎ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যান্য সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরাও নিজ নিজ এলাকার প্রচার কার্যক্রম সভায় তুলে ধরেন।

‎প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ গুরুত্বপূর্ণ মহানগরী ও পৌর শহরের প্রবেশপথ এবং জনবহুল স্থানে ডিজিটাল ও স্থির বিলবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে গণভোটের বিষয়বস্তু প্রচার করতে হবে। স্থানীয় সরকারের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি মসজিদের ইমাম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে গণভোটের বিষয়টি ভোটারদের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

‎সভাপতি সবাইকে গণভোটের লোগো সবজায়গায় ব্যবহারের অনুরোধ জানান, যাতে জনগণের মধ্যে আগ্রহ ও আলোড়ন সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে বিলবোর্ডের মাধ্যমে গণভোটের লোগো, নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত ব্যালট ও লিফলেট জনবহুল স্থানে প্রচার করতে হবে। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোকে নিজ নিজ সক্ষমতার মধ্যে সর্বোচ্চ প্রচার কার্যক্রম চালানোর আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া কনটেন্ট যত বেশি স্থানে ও যতবার সম্ভব, প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর