ঢাকা: আসন্ন জাতীয় সংসদ ও গণভোটে ঢাকা জেলার ২০টি আসনের জন্য জমা হওয়া ২৩৮টি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর্ব শুরু হচ্ছে আজ।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা ও হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে রিটার্নিং অফিসাররা মনোনয়নপত্র বৈধ বা বাতিলের ঘোষণা দেবেন।
গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫ আসনের রিটার্নিং অফিসার ও ঢাকা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী এসব তথ্য জানিয়েছিলেন।
ওই সময় তিনি জানান, ঢাকা জেলায় মোট ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরের ১৩টি আসনে বিভাগীয় কমিশনার রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন এবং বাকি আসনগুলোতে জেলা প্রশাসকরা রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এসব আসনে দাখিল হওয়া সব মনোনয়নপত্র আগামী ৩ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় যাচাই-বাছাই করা হবে।
এ সময় তিনি বলেন, ‘যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রার্থী নিজে, তার প্রস্তাবক ও সমর্থক এবং প্রার্থী চাইলে নিযুক্ত আইনজীবীসহ সর্বোচ্চ পাঁচজন ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে কোন মনোনয়নপত্র বৈধ এবং কোনটি বাতিল, সে বিষয়ে প্রকাশ্য ঘোষণা দেওয়া হবে।’
মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় প্রার্থীর সশরীরে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক কি না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মো. ইউনুচ আলী বলেন, ‘আইনে প্রার্থীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়। আইন অনুযায়ী প্রার্থী নিজে উপস্থিত না থাকলেও তার প্রতিনিধি বা নিযুক্ত আইনজীবী উপস্থিত থাকতে পারেন। তবে যদি কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপত্তি ওঠে, সেক্ষেত্রে আপত্তি নিষ্পত্তির সুবিধার্থে প্রার্থীর উপস্থিত থাকাই যুক্তিযুক্ত।’
রাজধানীর দুটি পৃথক স্থানে এই বাছাই প্রক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা মহানগরীর ১৩টি আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে সেগুনবাগিচায় রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে। অন্যদিকে, ঢাকা জেলার বাকি আসনগুলোর বাছাই কার্যক্রম চলবে আগারগাঁওয়ের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) সম্মেলন কক্ষে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন। ৪ জানুয়ারির মধ্যে দেশব্যাপী সব আসনের বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।