ঢাকা: আসন্ন জাতীয় সংসদও গণভোটে ঢাকা-১৫ (মিরপুর-কাফরুল) আসনে জমা পড়া ৯টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৫টি বৈধ ও ৩টি বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এছাড়া মামলার তথ্য যাচাইয়ের জন্য জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র পেন্ডিং (স্থগিত) রাখা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর ইটিআই ভবনে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
যাদের মনোনয়ন বৈধ: যাচাই-বাছাইয়ে নথিপত্র সঠিক থাকায় যাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মো. শফিকুর রহমান, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন), বাংলাদেশ জাসদের মো. আশফাকুর রহমান, জনতা দলের খান শোয়েব আমানউল্লাহ এবং গণফোরামের এ কে এম শফিকুল ইসলাম।
যাদের মনোনয়ন বাতিল: দলীয় মনোনয়নপত্র ও নথিপত্রে ত্রুটি থাকায় ৩ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) আহাম্মদ সাজেদুল হক রুবেল, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মোবারক হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী তানজিল ইসলাম।
যার মনোনয়ন স্থগিত: মামলার তথ্য সংক্রান্ত অস্পষ্টতা থাকায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামসুল হকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই শেষে আজই তার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।
ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি। প্রতীক পাওয়ার পর ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।