ঢাকা: শরীয়তপুরের ফার্মেসি মালিক ও বিকাশের এজেন্ট খোকন দাস (৫০) হত্যার ঘটনায় প্রধান তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
রোববার (৪ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানে হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টায় র্যাব-৮ এবং ইন্ট উইং, ঢাকা-এর দেওয়া তথ্য মোতাবেক র্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল কোম্পানি কমান্ডার এএসপি শাহজাহানের নেতৃত্বে এজাহারনামীয় আসামি সোহাগ, রাব্বি ও পলাশকে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান জানিয়েছেন, মৃত্যুর পূর্বে ভিকটিম খোকন দাস উল্লেখিত আসামিদের নাম বলে গেছেন।
তিনি জানান, ভিকটিম খোকন দাস, বাবা- পরেশ দাস, একজন ওষুধ ও বিকাশ ব্যবসায়ী। তিনি ৩১ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে কেহরভাঙ্গা বাজারস্থ নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন।
বাড়ির নিকটবর্তী তিলই এলাকায় পৌঁছামাত্র ৩–৪ জন অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে এবং সঙ্গে থাকা নগদ টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয়।
বাড়ির নিকটবর্তী তিলই এলাকায় পৌঁছামাত্র তিন থেকে চারজন অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করে এবং সঙ্গে থাকা নগদ টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয়।
হামলাকারীদের মধ্যে কয়েকজনকে চিনে ফেলায় দুর্বৃত্তরা ভুক্তভোগীর শরীর ও মুখে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যাচেষ্টা করে। ভুক্তভোগীর ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে স্থানীয়রা ভুক্তভোগীকে গুরুতর আহত ও দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান শেষে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
রওনক জাহান জানান, গ্রেফতারকৃত স্থানীয়ভাবে বখাটে হিসেবে পরিচিত। তারা নানা ধরনের মাদক সেবন করে বলেও জানা যায়।