ঢাকা: আসন্ন জাতীয় সংসদ ও গণভোটে ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র গ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৪০৬ জন। এর মধ্যে মনোনয়ন দাখিল করেন ২ হাজার ৫৬৮ জন। এরপর নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৪২। মনোনয়ন বাতিলের সংখ্যা ৭২৩।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে ইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ কোনো প্রার্থী বা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোনো সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অথবা প্রার্থী কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনে আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত আপিল করতে পারবেন।
আপিল করার নির্দেশনা
- আপিল আবেদন কমিশন সচিবালয়ের সচিবের কাছে নির্ধারিত ফরমেটে দায়ের করতে হবে।
- আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সম্বলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।
- আপিল আবেদনের একটি মূলকপিসহ সর্বমোট সাতটি কপি দাখিল করতে হবে।
- নির্বাচন কমিশনের আপিল আবেদন গ্রহণসংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে।
- আপিল আবেদন ৫ জানুয়ারি হতে ৯ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখ বিকাল ৫ টার মধ্যে দাখিল করতে হবে।
- আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপি প্রাপ্তির জন্য নির্ধারিত ফরম-এ আবেদন দাখিল করতে হবে। উক্ত ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ হতে সংগ্রহ করা যাবে।
- আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।
ইসির ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি।
প্রতীক পাওয়ার পর ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করতে পারবেন, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট।