ঢাকা: আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের ৪৫৯টি উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই লক্ষ্যে মোট ২ হাজার ৭৫৪ জন আনসার সদস্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় এই জনবল বা সেবা ক্রয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দিয়েছে।
ইসি জানায়, সম্প্রতি দেশের কয়েকটি মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কর্মকর্তা ও অফিসগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, এই নিয়োগ হবে ‘আউটসোর্সিং’ প্রক্রিয়ায়। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত-এই তিন মাসের জন্য প্রতিটি উপজেলা বা থানা কার্যালয়ে ৬ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের শর্তাবলি সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয় বেশ কিছু নীতিমালা অনুসরণ করতে বলেছে-
- ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহণ নীতিমালা, ২০২৫’ এর তফসিল-খ অনুযায়ী জনপ্রতি সেবামূল্য নির্ধারণ করতে হবে।
- নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির সেবামূল্য সরাসরি তার নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে দিতে হবে।
- পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫ কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
নির্বাচনি কর্মপরিকল্পনা ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল শুনানি চলবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচার চালানো যাবে। সবশেষে ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।