ঢাকা: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটকে কেন্দ্র করে আজ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে দেশের প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তারা চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের হাতে তাদের প্রতীক তুলে দিচ্ছেন। প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা শুরু করতে পারবেন আনুষ্ঠানিক প্রচার।
প্রতীক বরাদ্দের চিত্র
রাজধানীতে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়। তবে ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫ আসনের রিটার্নিং অফিসার মো. ইউনুচ আলী জানিয়েছেন, তার অধীনে থাকা আসনগুলোতে সকাল ১০টার পর থেকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দের সময় প্রার্থীর সঙ্গে সর্বোচ্চ তিনজন প্রতিনিধি (যেমন: নির্বাচনি এজেন্ট, প্রস্তাবকারী বা সমর্থক) উপস্থিত থাকার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ম
দলীয় প্রার্থী: নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের জন্য দলের সংরক্ষিত প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী: স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত ৫৬টি প্রতীক থেকে তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক দেওয়া হচ্ছে।
লটারি: যদি একই প্রতীক একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী দাবি করেন এবং কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো না যায়, সেক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী যদি আগে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে থাকেন, তবে তিনি পছন্দের প্রতীকের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।
ইসির প্রস্তুতি: নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, এবার ভোটে ৫৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের জন্য সংরক্ষিত প্রতীকের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত প্রতীকের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এরইমধ্যে প্রার্থীদের প্রতীকের নমুনা কপি সরবরাহের জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চার দফা সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। আজ প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে নির্বাচনি আমেজ মাঠ পর্যায়ে পূর্ণতা পেতে শুরু করেছে।