Sunday 25 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

শব্দদূষণ কমানোর দায়িত্ব আমাদের সকলের: পরিবেশ উপদেষ্টার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:৪৭ | আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:১৭

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

ঢাকা: শব্দদূষণ কমানোর দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, এ দায়ভার সবার বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো নিরুৎসাহিত করতে আয়োজিত এক জনসচেতনতামূলক সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

পরিবেশ অধিদফতরের উদ্যোগে ডিএমপি, বিআরটিএ, ডিএনসিসি ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিভিল এভিয়েশন) সমন্বয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘‘অকারণে হর্ন বাজানো আমাদের একটি বদভ্যাসে পরিণত হয়েছে, যা পরিবর্তন করা জরুরি। প্রাথমিকভাবে হর্ন ব্যবহারের বিরুদ্ধেই কঠোর অবস্থান নেওয়া হচ্ছে। কোনো অজুহাতেই হর্ন বাজানো যাবে না। অন্যান্য ট্রাফিক আইন ভঙ্গের মতো ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে হর্ন ব্যবহারের বিরুদ্ধেও দণ্ড আরোপের ব্যবস্থা নিতে হবে। এ লক্ষ্যে ‘শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং পুলিশকে এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।’’

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও জানান, ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃপক্ষ তরুণদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এই কার্যক্রমে যুক্ত করেছে এবং তারা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাফিক পুলিশের অংশ হিসেবে কাজ করছে। সিভিল এভিয়েশন স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় বিমানবন্দরের ঘোষিত নীরব এলাকায় হর্ন বন্ধে কার্যক্রম শুরু করতে পারে।’ বিমানবন্দর এলাকাকে হর্নমুক্ত করে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উচ্চশব্দের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, ‘উচ্চ শব্দের কারণে ঢাকায় প্রায় ৬৫ শতাংশ চালকের শ্রবণক্ষমতা কমে গেছে। বিশেষ করে স্কুলগামী শিশুদের জন্য হর্নের শব্দ অত্যন্ত অস্বস্তিকর। এ বিষয়ে জাতিগতভাবে সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে।’ তিনি শব্দদূষণ রোধে গণমাধ্যমকর্মীদের স্বপ্রণোদিত হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ। তিনি বলেন, ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রণীত বিধিমালা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং এ কাজে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

এ সময় আরও বক্তব্য দেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর