Friday 06 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৬ মার্চ ২০২৬ ২০:০২ | আপডেট: ৬ মার্চ ২০২৬ ২৩:০৫

কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ঢাকা: পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশ সব সময় দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শুক্রবার (৬ মার্চ) ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই ইফতারের আয়োজন করা হয়।

ইফতারের পূর্বে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, আজকের এই ইফতার শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় নানা জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও ঐক্যের গুরুত্বের কথা। এই মূল্যবোধই একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গঠনের ভিত্তি।

বিজ্ঞাপন

স্বাধীনতা রক্ষা, মানবাধিকার নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুদৃঢ় রাখা, নারীদের আরও বেশি ক্ষমতায়ন ও উৎসাহ প্রদান এবং নতুন উদ্যোক্তাদের সহায়তার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একসঙ্গে শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সমমর্যাদা, পারস্পরিক স্বার্থ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়।

ইফতার অনুষ্ঠানে এসে আমন্ত্রিত অথিতিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ইফতারে প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে তার ডান পাশে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। বাম পাশে ছিলেন মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে বসে সঙ্গে ইফতার করেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী, ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কারমা হামু দর্জি, পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূত ধর্মপাল বীরাককোডি।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ব্রাজিল, ফিলিস্তিন, রাশিয়া, থাইল্যান্ড, কাতার, ওমানসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিরা ইফতারে অংশ নেন।

বর্তমান সরকারের মন্ত্রীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন– মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রফেসর ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, খলিলুর রহমান, মিজানুর রহমান মিনু, জহির উদ্দিন স্বপন, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, খন্দকার মুক্তাদির চৌধুরী, জাকারিয়া তাহের সুমন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, শেখ রবিউল আলম, আরিফুল হক চৌধুরী, আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, শামা ওবায়েদ, নিতাই রায় চৌধুরী, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান ও ইশরাক হোসেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের মধ্যে ছিলেন– রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান, মাহদী আমিন।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন– এমামুল হক চৌধুরী, জিয়া উদ্দিন হায়দার ও রাশেদুল হক।

এ ছাড়া মন্ত্রীপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ছালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর