ঢাকা: আসন্ন বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে প্রার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) নির্বাচন কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এবার ভোটার প্রতি ১০ টাকা হারে ব্যয়সীমা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ফলে বগুড়া-৬ আসনে প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ৪৩০ টাকা এবং শেরপুর-৩ আসনে ৪১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন।
বগুড়া-৬ আসনের ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২২ হাজার ৭৯৬ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ২৩৭ জন ও হিজড়া ভোটর ১০ জন। ভোটার প্রতি ১০ টাকা হিসেবে এই আসনে প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ ৪০ হাজার ৪৩০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন।
এদিকে শেরপুর-৩ আসনের পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫ হাজার ৭৭ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৮ হাজার ২৯৩ জন। হিজড়া ভোটার ৭ জন। মোট ভোটার ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এই আসনের প্রার্থীরা ভোটার প্রতি ১০ টাকা হারে সর্বোচ্চ ৪১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন।
বগুড়া-৬ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার রয়েছেন ভোটের মাঠে।
উল্লেখ্য, এই আসনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জয়ী হন।কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দুটি আসনের সদস্য থাকার বিধানের কারণে ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। পরবর্তী সময়ে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন তফসিল দেয় নির্বাচন কমিশন।
অন্যদিকে শেরপুর-৩ আসনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। ফলে ভোটের মাঠে রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করে ইসি। পরবর্তী সময়ে নতুন তফসিল দিয়ে নির্বাচন করছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, আগামী ৯ এপ্রিল এ দুই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।