ঢাকা: সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ঈদযাত্রা উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন রুটে গণপরিবহনে নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হচ্ছে। কোথাও ভোগান্তি এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে কোনো অভিযোগ পাইনি।
বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে ঈদযাত্রার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, রাজধানী থেকে সময়মতো বাস ছেড়ে যাচ্ছে এবং যাত্রীরা স্বস্তিতেই যাত্রা করছেন। গাবতলী বাস টার্মিনালে সব বাস কাউন্টার থেকে নির্ধারিত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। বাস টার্মিনালগুলোতে পুলিশ, র্যাব ও ভিজিল্যান্স টিমের কন্ট্রোল রুম রয়েছে এবং সর্বত্র নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা টানানো হয়েছে। কোনো যাত্রী অভিযোগ করলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অনিয়ম বা যাত্রী হয়রানির ঘটনা পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, অধিকাংশ রুটে এখনও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। যদিও কিছু রুটে টিকিট আগেই শেষ হয়ে গেছে। সামগ্রিকভাবে যাত্রীরা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে বাড়ি যেতে পারছেন। পরিবহন মালিক-শ্রমিক এবং সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।
দূরপাল্লার বাসে মাঝপথে নামা যাত্রীদের পুরো ভাড়া নেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয় নির্দিষ্ট গন্তব্য অনুযায়ী। যেমন, ঢাকায় থেকে খুলনাগামী বাসের খরচ ও ভাড়া পুরো রুট হিসেবেই নির্ধারিত। তাই কেউ মাঝপথে নামলেও পুরো ভাড়া প্রযোজ্য হয়।
লোকাল বাসে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোথাও অনিয়মের চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক মোবাইল টিম গিয়ে জরিমানা করছে। যেমন নবীনগর ও বাইপাইলে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার চেষ্টা করলে জরিমানা করা হয়েছে। কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে অনিয়মের চেষ্টা থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে। মহাসড়কগুলোতে যানজট নেই, সব রুটে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কোথাও চাপ তৈরি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, অনেক সময় যাত্রীর চাপের কারণে কিছু বাস টার্মিনালে না এসে মাঝপথ থেকেই যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে চলে যাচ্ছে। এতে মনিটরিংয়ে কিছুটা অসুবিধা হয়। তবে যেসব অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং কঠোরভাবে দেখা হবে।