ঢাকা: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসসহ সরকার নির্ধারিত বিভিন্ন দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ব্যবহারে ‘জাতীয় পতাকা বিধিমালা’ যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
সোমবার (২৩ মার্চ) এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, বাংলাদেশ-এর সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪(১) অনুযায়ী জাতীয় পতাকা সবুজ ক্ষেত্রের ওপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত। ১৯৭২ সালে প্রণীত এবং ২০১০ সালে সংশোধিত জাতীয় পতাকা বিধিমালায় পতাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে, যা প্রতিটি নাগরিকের মানা বাধ্যতামূলক।
পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং এর মাঝে থাকবে লাল বৃত্ত। নির্ধারিত মাপ অনুযায়ী পতাকার তিন ধরনের আকার রয়েছে—১০x৬, ৫x৩ এবং ২.৫x১.৫ অনুপাতের আয়তাকার ক্ষেত্র।
বিধিমালা অনুযায়ী পতাকা কখনোই মোটরযান, রেলগাড়ি বা নৌযানের কোনো অংশ ঢেকে ব্যবহার করা যাবে না। জাতীয় পতাকার ওপরে অন্য কোনো পতাকা উত্তোলন করা যাবে না এবং পতাকার ওপর কোনো লেখা বা চিহ্নও দেওয়া নিষিদ্ধ।
এছাড়া কোনো অনুষ্ঠানে পতাকা প্রদর্শনের সময় সেটি বক্তার পেছনে উঁচু স্থানে স্থাপন করতে হবে। জাতীয় সংগীত বাজানোর সময় সবাইকে পতাকার দিকে মুখ করে দাঁড়াতে হবে এবং ইউনিফর্মধারীরা স্যালুট করবেন।
পতাকা উত্তোলন দ্রুততার সঙ্গে এবং নামানোর সময় যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পতাকা যেন কখনো মাটিতে স্পর্শ না করে এবং সর্বদা উঁচু ও মুক্তভাবে থাকে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
সরকার বলছে, জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব এবং জাতীয় দিবসগুলোতে এ বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা অপরিহার্য।