ঢাকা: ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত মূল্য কেবল তারাই অনুধাবন করতে পারেন, যারা এর জন্য ত্যাগ ও সংগ্রাম করেছেন।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের বীরত্বগাথা স্মরণ করে তিনি বলেন, লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আমরা যেমন ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছি, তেমনি হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালে সেই স্বাধীনতা ও দেশ রক্ষা করেছি।
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা অনেক বড় হলেও সম্পদের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে এই সীমাবদ্ধতা জয় করা অসম্ভব নয়। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই এবং সকলে মিলে একসাথে দেশের জন্য কাজ করি, তবে অবশ্যই আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
বর্তমান সরকারকে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত এবং গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সরকার সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। ইতিমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড প্রদান, নদী ও খাল খনন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো নানামুখী জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী একটি বৈষম্যমুক্ত, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সকল প্রকার বিভেদ ও নেতিবাচকতাকে দূরে ঠেলে দিয়ে, ভালোকে সঙ্গী করে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।